জেনুইন নয় এমন আইএসআই চিহ্নযুক্ত প্লাইউড বিক্রির অভিযোগে প্লাইউড নিকেতন, 83 আনন্দপল্লী 47, গড়িয়া মেইন রোড, মহামায়াতলা, সোনারপুর, দক্ষিণ 24 পরগনা-700084-তে BIS-এর তল্লাশি ও জব্দ অভিযান

কলকাতা, ২৮ জুলাই ২০২৬: ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (BIS)-এর কলকাতা পাখা কার্যালয় ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্লাইউড নিকেতন, 83 আনন্দপল্লী 47, গড়িয়া মেইন রোড, মহামায়াতনা, সোনারপুর, দক্ষিণ 24 পরগনা-700084-তে জেনুইন নয় এমন আইএসআই চিহ্নযুক্ত প্লাইউড বিক্রির অভিযোগে একটি তল্লাশি ও জব্দ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালীন BIS-এর আধিকারিকরা দেখতে গান যে, প্লাইউড পণ্যগুলিতে এমন একটি আইএসআই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে, যার লাইসেন্স নম্বরটি জেনুইন নয়। ভুয়ো বা অবৈধ BIS লাইসেন্স নম্বর ব্যবহার করে আইএসআই চিহ্ন প্রদর্শন করা গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে এবং ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস আইন, ২০১৬-এর বিধান লঙ্ঘনের শামিল।

শুশমান নিয়ন্ত্রণ আদেশ (Quality Control Orders – QCOs)-এর আওতাভুক্ত প্লাইউড এবং অনুরূপ কাঠ-ভিত্তিক পণ্যসমূহের জন্য BIS সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক। এই ধরনের পণ্যে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক (আইএসআই মার্ক) ব্যবহার করার আগে প্রস্তুতকারকদের বৈধ BIS লাইসেন্স গ্রহণ করা আবশ্যক। একইসঙ্গে ডিলার, পরিবেশক এবং খুচরা বিক্রেতাদেরও নিশ্চিত করতে হবে যে তারা শুধুমাত্র জেনুইন BIS লাইসেন্সযুক্ত আইএসআই মার্কধারী পণ্যই মজুত ও বিক্রি করছেন।

BIS সকল প্রস্তুতকারক, ডিলার, পরিবেশক এবং খুচরা বিক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, বৈধ BIS লাইসেন্স নম্বরবিহীন আইএসআই মার্কযুক্ত প্লাইউড ও অনুরূণ কাঠ-ভিত্তিক পণ্য উৎপাদন, মজুত, বিতরণ বা বিক্রয় থেকে বিরত থাকুন। এ ধরনের পণ্যের লেনদেনের পূর্বে BIS Care App-এর মাধ্যমে লাইসেন্স নম্বরের সভ্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ক্রেতাদেরও পণ্য কেনার আগে BIS Care App ব্যবহার করে আইএসআই লাইসেন্স নম্বরের সত্যতা যাচাই করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। অ্যাগের “Verify ISI Licence Details” সুবিধার মাধ্যমে লাইসেন্স নম্বর যাচাই করা যায়। BIS-এর ডাটাবেসে লাইসেন্সের তথ্য সঠিকভাবে প্রদর্শিত হলে তবেই সেই গণ্য ক্রয় করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস আইন, ২০১৬ অনুযায়ী, বৈধ লাইসেন্স ছাড়া স্ট্যান্ডার্ড মার্কের অপব্যবহার অথবা বাধ্যতামূলক BIS সার্টিফিকেশনযুক্ত পণ্যের উৎপাদন, বিক্রয়, বিভরণ বা মজুতের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ন্যূনতম ২২ লক্ষ জরিমানা, যা সংশ্লিষ্ট পণ্যের মূল্যের সর্বোচ্চ দশগুণ পর্যন্ত হতে পারে, অথবা উভয় দণ্ডই আরোপ করা হতে পারে।

BIS ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষা এবং ভারতীয় মান অনুযায়ী শুণমানসম্পন্ন পণ্য বাজারে উপলব্ধ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে BIS ভবিষ্যতেও নিয়মিত নজরদারি, তল্লাশি ও জব্দ অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *