ভারতের কর্ণাটকের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, চিন্তক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সঙ্গীত অ্যালবাম প্রযোজক, সমাজসেবী, পরিবেশকর্মী এবং কৃষিজীবী শ্রী নাগাথিহাল্লি রমেশ তাঁর বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীলতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে তিনি একজন সুপরিচিত নাম। তাঁর লেখনী মানুষের জীবন, সমাজ, প্রকৃতি এবং মানবিক মূল্যবোধকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে সহায়তা করে। একজন প্রখ্যাত চিন্তক হিসেবে তিনি সামাজিক সচেতনতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়গুলিকে তাঁর কর্ম ও সৃষ্টির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।
চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত অ্যালবাম নির্মাণের ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। তাঁর সৃষ্টিকর্ম সমাজের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একই সঙ্গে একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে তিনি প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন এবং পরিবেশ-সচেতন সমাজ গঠনের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার থেকেছেন।
সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধের প্রসার এবং কৃষিজীবনের সঙ্গে গভীর সংযোগ তাঁর ব্যক্তিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। সাহিত্য, পরিবেশ-সচেতনতা, সামাজিক চেতনা, সাংস্কৃতিক চিন্তা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “গঙ্গা–কাবেরী, মহাসাগর ও পৃথিবীর প্রতি করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার – ২০২৬” সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
এছাড়াও, আরপি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অ্যাডভোকেসি উপদেষ্টা হিসেবে শ্রী নাগাথিহাল্লি রমেশের নিয়োগ ট্রাস্টের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় এবং তাঁর অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ আশাবাদী।
সম্প্রতি আরপি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ট্রাস্টের সম্পাদক শুভাশিস রায় এবং সভাপতি সুমিতা রায় তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রাপ্তি ও ট্রাস্টের অ্যাডভোকেসি উপদেষ্টা হিসেবে মনোনয়নের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

