পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের আগের সন্ধ্যায় মুক্তি পেল ‘এম আর ডি’ প্রযোজিত ও ‘তারা মা মোশান পিকচারস ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস’ নিবেদিত এবং শুভম দাস পরিচালিত বাংলা চলচ্চিত্র চিত্র ‘পোড়াবাঁশি’।
বলে রাখা ভালো, আজ থেকে প্রায় ৭ বছর আগে কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই কাহিনীচিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন পরিচালক শুভম দাস।
প্রিমিয়ার শো শুরুর আগে কাহিনীর গতিপ্রকৃতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে তথ্য পরিবেশন করতে গিয়ে ‘পোড়াবাঁশি’-র পরিচালক শুভম দাস বলেছেন, “এই কাহিনীচিত্র মূলতঃ গ্রামের এমন এক সাধারণ যুবকের গল্প যাকে গ্রামের মানুষরাই গুরুত্ব দেয় না, তার সঙ্গী একটা বাঁশি ..।”
কে এই ছেলে ?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেকের মনেই আজ যখন কোনো এক বিশেষ যুবকের কথা ভেসে উঠছে, তখন শুভম দাস নির্লিপ্ত কণ্ঠে জানিয়েছেন, “বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, অনামিকা সাহা, ভাস্কর ব্যানার্জি, শুভম, শিউলি রামানি, অর্ক, কৌশিক, চাঁদনী, বনশ্রী সহ একাধিক শিল্পীর সমন্বয়ে তৈরী হয়েছে ২ ঘণ্টা ২২ মিনিটের এই সামাজিক কাহিনীচিত্র।”
এই চলচ্চিত্রে কারো কী ঘর পুড়ল, নাকি কারো মন পুড়ল নাকি হ্যামিলটনের বাঁশিওয়ালার টানে সব ইঁদুরের অন্তর্জলী যাত্রার গল্পের মতো কোনো এই যুবকেরও হাতে থাকা বাঁশির সুরে অনেকেরই যাত্রাভঙ্গ হল, এর উত্তর পেতে গেলে অবশ্যই হলে গিয়ে দেখতে হবে পরিচালক শুভম দাস-এর অষ্টম চলচ্চিত্র ‘পোড়াবাঁশি’।
সমাজে এই চলচ্চিত্র কী বার্তা পৌঁছে দিতে পারে এই বিষয়ে পরিচালকের কাছে জানতে চাওয়া হলে শুভম দাস জানান, “চকচক করলেই সোনা হয় না, বিপদের সময়েই সঠিক মানুষ চেনা যায়।”

