কলকাতা, 8 জুন 2026 – ব্লেন্ডার্স প্রাইড প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটার নিয়ে এল ‘ব্লেন্ডার্স প্রাইড রিজার্ভড এক্সপিরিয়েন্সেস’, এ এক নতুন কালচারাল প্ল্যাটফর্ম। একে এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যে কোনও ফ্লেভারকে সমস্ত ইন্দ্রিয় দিয়ে কীভাবে উপভোগ করতে হয় তাকে যাতে নতুন ভাবে বুঝতে পারা যায়।
উপভোক্তারা এখন এমন সব জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন যেগুলো হবে অনেক বেশি অর্থপূর্ণ এবং যেগুলির থেকে আরও ভাল অভিজ্ঞতা লাভ করা যেতে পারে। তাঁরা আসলে এমন জিনিস চাইছেন যেখানে তাঁদের ক্রমশ বদলাতে থাকা স্বাদ ও রুচির প্রতিফলন হবে। উপভোক্তাদের রুচি-পছন্দের এই বদলের কথাকে মাথায় রেখে এগিয়ে এসেছে ‘ব্লেন্ডার্স প্রাইড রিজার্ভড এক্সপিরিয়েন্স’। তারা এখন ফ্লেভারকে এমন এক নতুন রূপে পেশ করছে যা অনেক বেশি মাত্রায় মনের ভাবকে প্রকাশ করতে পারে।
এই প্ল্যাটফর্মের ভিত হল এই ধারণা- ‘রিজার্ভড ইন এভরি সেন্স’। মানে, সব দিক দিয়েই সংযত। এই ধারণার ভিত্তিতে এই প্ল্যাটফর্ম এমন এক ফ্লেভার পেশ করছে যা এক বহুমাত্রিক সফরের মতন। এমন এক ফ্লেভার, যার শুধু স্বাদই উপভোগ করা যায় না, বরং যাকে দেখতে পাওয়া যায়, যাকে শুনতে পাওয়া যাওয়া, অনুভব করা যায়, এবং উপলব্ধি করা যায়।
এই স্বপ্নকে বাস্তব করেছে যে-অভিজ্ঞতা, তাকে এক নিবিড় ও একান্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়েছে শেফ কুনাল কপূরকে সঙ্গে নিয়ে। এই সান্ধ্য উপস্থাপনার প্রাণ ছিল একটি লাইভ গ্যাস্ট্রো-পারফরম্যান্স। যেখানে ফ্লেভারকে সমন্বিত ভাবে পেশ করা হচ্ছিল রিয়্যাল টাইমের মিউজিকের সঙ্গে, যা অবিরাম ইন্দ্রিয়গত অভিব্যক্তির মধ্যে টেক্সচার, অ্যারোমা ও ছন্দের মিশ্রণ ঘটাচ্ছিল।
এই অভিজ্ঞতা অনন্য ছিল এইখানে যে এখানে ফ্লেভারকে যে ভাবে পেশ করা হয়েছে তা শুধুমাত্র জিভের স্বাদের মধ্যেই সীমিত ছিল না। তাকে বেশ কয়েকটি পরিসরের মধ্য দিয়ে পেশ করা হয়েছিল। যে-পরিসরগুলি মনকে মুগ্ধ করে। প্রতিটি পরিসরই স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে ফ্লেভারকে পেশ করেছে। যেমন দুর্দান্ত এক ভিজুয়াল পরিবেশ ছিল তার পাশাপাশি ছিল অ্যারোমা ভিত্তিক নানা ইনস্টলেশন, যাতে স্পর্শের অনুভূতি দিয়ে সব কিছুকে খুঁজে পাওয়া যায় এবং বাছাই করা স্বাদের অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়।
ব্লেন্ডার্স প্রাইড রিজার্ভড এক্সপিরিয়েন্সেসকে একটি ক্রম-বিবর্তিত কালচারাল প্ল্যাটফর্ম হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। এখন এটি চণ্ডীগড়, গুরগাঁও, ও জয়পুরের পর কলকাতাতেও নিজের যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। সেই সঙ্গে সমস্ত প্রধান বাজারে 10টির বেশি ক্রিয়াকলাপ চালু করা হবে। এমন সব নতুন-নতুন পথ তৈরি করা হচ্ছে যাতে উপভোক্তারা সমস্ত প্রত্যাশার ঊর্ধ্বে ফ্লেভারের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।
এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে শেফ কুনাল কপূর বললেন, “সত্যিকার অর্থে ফ্লেভারে অনেক স্তর আছে এবং তা বিবর্তিত হচ্ছে। রিজার্ভড এক্সপিরিয়েন্সের মাধ্যমে আমরা ফ্লেভারকে শুধু জিভের স্বাদের মধ্যে আটকে রাখিনি। একে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে প্রাণবন্ত করে তুলছি। যাতে মানুষ এর সঙ্গে এমন ভাবে জুড়ে যেতে পারেন যে তা অনেক বেশি মাত্রায় তাঁদের মুগ্ধ করবে একেবারে অপ্রত্যাশিত ভাবে।”
পারনর্ড রিকার্ড ইন্ডিয়ার সিএমও দেবশ্রী দাশগুপ্ত বলেন, “আজকের দিনে উপভোক্তারা আরও বেশি অভিপ্রেত ও উন্নত অভিজ্ঞতা লাভ করতে চান। যা শুধু নিজের কাজ মিটিয়েই থেমে থাকবে না, তা যেন সত্যিকার অর্থেই স্বতন্ত্র বলে মনে হয়। ব্লেন্ডার্স প্রাইড রিজার্ভড এক্সপিরিয়েন্সেসকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এমন এক কালচারাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছি যা উপভোক্তাদের রুচির বদলের কথা মাথায় রেখে কাজ করে, যা ফ্লেভারের গভীরতা ও সূক্ষ্মতাগুলোকে আরও মুগ্ধকর করে তোলে, যা প্রকাশ করে সমস্ত ইন্দ্রিয়ের অভিব্যক্তি। আজকের দিনে আমাদের অডিয়েন্স যে ভাবে যুক্ত হতে চায় তার এক স্বাভাবিক বিস্তার হল আমাদের প্ল্যাটফর্ম। যেখানে কোনও কিছুকে খুঁজে বের করার অভিজ্ঞতাটি হয় অনেক বেশি সমৃদ্ধ, অনেক বেশি আকর্ষণীয়, এবং যা সব দিক দিয়েই সংযত।”
বেন্ডার্স প্রাইড রিজার্ভড এক্সপিরিয়েন্সেস-কে সঙ্গে নিয়ে এই ব্র্যান্ড অনবরত একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক বয়ান তৈরি করে চলেছে। যা ফ্লেভারকে করে তুলছে আরও পরিমার্জিত এবং যাকে সমস্ত ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগ করতে হয়। এটাকে তৈরি করা হয়েছে নতুন প্রজন্মের বিচক্ষণ উপভোক্তাদের জন্য।

