জিএনআইডিএসআর (GNIDSR)-এ নতুন ডিএসটি-ফিস্ট (DST-FIST) গবেষণাগারের উদ্বোধন*

*কলকাতা, ১১ই জুন ২০২৬*: জেআইএস (JIS) গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার তরণজিৎ সিং এবং জেআইএস ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ-এর ডিরেক্টর অধ্যাপক অজয় কুমার রায় কলকাতার ক্যাম্পাসে জিএনআইডিএসআর-এর ডিএসটি-ফিস্ট (DST-FIST) গবেষণাগারটির উদ্বোধন করলেন। এই পদক্ষেপটি গবেষণা-উৎকর্ষ এবং উদ্ভাবন-ভিত্তিক শিক্ষার প্রতি জেআইএস গ্রুপের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিএনআইডিএসআর-এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক (ড.) জে. ভট্টাচার্য, জেআইএস ইউনিভার্সিটির প্রো-চ্যান্সেলর ড. নীরজ সাক্সেনা, জেআইএস ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক (ড.) পার্থ সরকার এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীরা।

ডিএসটি-ফিস্ট গবেষণাগারটিতে স্পেকট্রোফটোমিটার, থ্রি-ডি (3D) প্রিন্টার এবং মাইক্রো ভিকার্স হার্ডনেস টেস্টার-এর মতো অত্যাধুনিক গবেষণার যন্ত্রপাতি রয়েছে। এই উন্নত সুবিধাসমূহ গবেষণার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে, বায়োমেটেরিয়ালস ও ডেন্টাল সায়েন্স বা দন্তচিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনে সহায়তা করবে এবং বিভিন্ন একাডেমিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রের মধ্যে আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতাকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই গবেষণাগারটি শিক্ষক, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক পরিকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে। এর ফলে উচ্চ-প্রভাবশালী গবেষণা, জ্ঞান সৃষ্টি এবং এমন সব যৌথ প্রকল্পের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে যা স্বাস্থ্যসেবা ও সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে সক্ষম।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেআইএস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার তরণজিৎ সিং বলেন, “জিএনআইডিএসআর-এ ডিএসটি-ফিস্ট গবেষণাগারের উদ্বোধন বিশ্বমানের গবেষণা পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং উদ্ভাবনী সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে জেআইএস গ্রুপের অটল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এই সুবিধাটি আমাদের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং শিক্ষকদের প্রভাবশালী বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনায়, দন্তচিকিৎসা বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যসেবার অগ্রগতিতে অবদান রাখতে এবং ভারতের জ্ঞান ও উদ্ভাবন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম করে তুলবে।”

ডিএসটি-ফিস্ট গবেষণাগারটি প্রতিষ্ঠার ফলে দন্তচিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের একটি শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্র হিসেবে জিএনআইডিএসআর-এর অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে এবং একইসঙ্গে দেশের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণার সামগ্রিক অগ্রগতিতে এটি অবদান রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *